× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য শিল্প ইভেন্ট উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন মানসিক স্বাস্থ্য অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ ইউরোপ ব্লকচেইন ভাষান্তর অন্যান্য ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Not using Afghanistan against China Taliban
google_news print-icon

চীনের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানকে ব্যবহার নয়: তালেবান

চীনের-বিরুদ্ধে-আফগানিস্তানকে-ব্যবহার-নয়-তালেবান
তিয়ানজিনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে সফররত তালেবান প্রতিনিধি দলের প্রধান আলোচক মোল্লা বারাদার আখুন্দ। ছবি: এএফপি
আফগানিস্তানে বর্তমান সহিংস পরিস্থিতির জন্য পশ্চিমা বিশ্ব তালেবানকে দায়ী করলেও গোষ্ঠীটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃতি দিয়েছে চীন। চীনে তালেবানের সফরে সে স্বীকৃতি আরও জোরদার হলো বলে মত নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।

কোনো শক্তিকেই চীনের বিরুদ্ধে আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে বেইজিংকে আশ্বস্ত করেছে আফগানিস্তানের ধর্মভিত্তিক সশস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন তালেবান।

চীন সফররত তালেবান প্রতিনিধিদের একটি দল বুধবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে সাক্ষাতে এ আশ্বাস দেয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বেইজিংয়ের আমন্ত্রণে তালেবানের ৯ সদস্যের দলটি দুই দিনের সফরে চীনের উত্তরাঞ্চলীয় তিয়ানজিন শহরে অবস্থান করছে। বৈঠকের আলোচ্য হলো শান্তি আলোচনা ও নিরাপত্তা ইস্যু।

তালেবানের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাঈম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে লিখেছেন, ‘আফগানিস্তান ও চীনের রাজনীতি, অর্থনীতি ও অন্যান্য ইস্যু, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি ও শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

নাঈম বলেন, ‘চীনের বিরুদ্ধে আফগান ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে চীনা সরকারকে নিশ্চিত করেছে তালেবান প্রতিনিধিদলটি। প্রতিক্রিয়ায় চীনও আফগানিস্তানের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে।’

তিনি জানান, আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে বরং সংকট সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে বেইজিং।

তালেবানের পক্ষে প্রধান আলোচক ছিলেন তালেবানের উপপ্রধান মোল্লা বারাদার আখুন্দ। তিনি আফগানিস্তানে চীনের বিশেষ দূতের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক জোটের পূর্ণাঙ্গ সেনা প্রত্যাহারের মুখে চীনের সীমান্তসংলগ্ন প্রতিবেশী আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে আগ্রাসী হয়ে উঠছে তালেবান। দখলে নিয়েছে দেশটির ৪১৯ জেলার অর্ধেকের বেশি।

ইরান, তাজিকিস্তান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত নিরাপত্তা চৌকি ও বর্ডার ক্রসিংও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে তালেবান।

কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনাতেও খুব একটা অগ্রগতি নেই।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আফগানিস্তানে যুদ্ধে ইতি টানতে এবং দেশ পুনর্গঠনে তালেবান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী বেইজিং।

বিবৃতিতে বলা হয়, আফগানিস্তানে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করতে তালেবানকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

একই সঙ্গে চীনের নিরাপত্তায় ঝুঁকি হিসেবে ইস্ট তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্ট বিদ্রোহীদের দমনে তালেবানকে সহযোগিতারও আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং। চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে সক্রিয় বিদ্রোহী সংগঠনটি।

আফগানিস্তানে বর্তমান সহিংস পরিস্থিতির জন্য পশ্চিমা বিশ্ব তালেবানকে দায়ী করলেও গোষ্ঠীটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃতি দিয়েছে চীন। চীনে তালেবানের সফরে সে স্বীকৃতি আরও জোরদার হলো বলে মত নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন:
তালেবানের ‘পক্ষে বলায়’ আফগানিস্তানে ৪ সাংবাদিক গ্রেপ্তার
আফগানিস্তানে আবার যেভাবে তালেবান
আফগানিস্তানে ২ মাসে ২৪০০ জনের মৃত্যু: জাতিসংঘ
তালেবানের ভয়ে কান্দাহার ছেড়েছে দেড় লাখ মানুষ
ঈদের নামাজে হামলা: কমান্ডারসহ তালেবানের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Trumps new tariff policy strictly criticized Europe

ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির কড়া সমালোচনা ইউরোপের

ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির কড়া সমালোচনা ইউরোপের

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শুল্কনীতির ঘোষণা দেন। এদিকে, নতুন এই শুল্কনীতির কড়া সমালোচনা করেছে ইউরোপ। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেছেন, এটি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে এবং বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভন ডার লিয়েন সতর্ক করেছেন, এই শুল্কের কারণে আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা ও সাধারণ ভোক্তারা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তিনি বলেন, এটি সঙ্গে সঙ্গে ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের জনগণ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা করার খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এরই মধ্যে প্রথম দফার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইস্পাত খাতে শুল্কের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা চূড়ান্ত করছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি চীনের

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা এর বিরুদ্ধে ‘দৃঢ় প্রতিক্রিয়া’ দেখাবে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস এক মতামত প্রতিবেদনে ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ‘শুল্কের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

চীনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইতিহাস প্রমাণ করেছে, শুল্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্যই ক্ষতিকর এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।

কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প কোন দেশের ওপর কত পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করছেন, তার একটি তালিকা তুলে ধরেছেন।

এই তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের ওপর ৩৭ শতাংশ, পাকিস্তানের ওপর ২৯ শতাংশ, ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ, চীনের ওপর ৩৪ শতাংশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা উল্লেখ আছে।

এ ছাড়া কম্বোডিয়ায় ৪৯ শতাংশ, ভিয়েতনামে ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৪ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ৩৬ শতাংশ, তাইওয়ানে ৩২ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ায় ৩২ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডে ৩১ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩০ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৫ শতাংশ, জাপানে ২৪ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ২৪ শতাংশ, ইসরায়েলে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনে ১৭ শতাংশ, সিঙ্গাপুরে ১০ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্ক, ব্রাজিল, চিলি, অস্ট্রেলিয়া এবং কম্বোডিয়ায় ১০ শতাংশ করে শুল্ক আরোপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প, যা বাংলাদেশ বা ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগী দেশের তুলনায় কম। রয়টার্স লিখেছে, এর ফলে ভারতের পোশাক পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাবে।

ছাড় পেল না জনমানবহীন দ্বীপও

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শুল্কনীতির ঘোষণা দিতে হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে হাজির হলে অনেক দেশই কঠোর পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে কেউ কল্পনাও করেনি যে, তিনি জনমানবশূন্য দ্বীপের ওপরও শুল্ক আরোপ করবেন।

ট্রাম্প প্রশাসন সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের সাব-অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের জনমানবহীন হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জও। সেখানে কোনো মানুষ বসবাস করে না।

ঘোষণার সময় ট্রাম্প একটি পোস্টার ব্যবহার করে দেখান, কোন কোন দেশ ও অঞ্চল তার নতুন শুল্কের আওতায় পড়েছে। সাংবাদিকদের দেওয়া এক নথিতে উল্লেখ ছিল, এই দ্বীপগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, যা ‘মুদ্রা হস্তক্ষেপ ও বাণিজ্য বাধা’ তৈরি করে। প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের ওপর ‘ছাড়কৃত প্রতিশোধমূলক শুল্ক’ আরোপ করেছে।

অস্ট্রেলীয় সরকারের ওয়েবসাইটে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জকে ‘পৃথিবীর অন্যতম দুর্গম ও বন্যতম স্থান’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক প্রোগ্রামের তথ্য অনুসারে, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ফ্রিম্যান্টল বন্দর থেকে নৌপথে সেখানে পৌঁছাতে আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে।

এই দ্বীপগুলো বিভিন্ন সংরক্ষিত প্রজাতির পেঙ্গুইন, সিল ও পাখির আবাসস্থল। জাতিসংঘের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই দ্বীপগুলোতে প্রায় এক দশক ধরে মানুষের কোনো উপস্থিতি নেই বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, পৃথিবীর কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়।

হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার আরও কিছু বহিরাগত অঞ্চল ট্রাম্পের শুল্ক তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ, ক্রিসমাস দ্বীপ এবং নরফোক দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত। হাজার দুয়েক মানুষ বসবাস করা নরফোক দ্বীপের ওপর ২৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা মূল অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় ১৯ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Earthquake The number is 4 thousand

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়াল

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানির
সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়াল ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা তিন হাজার তিনে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৩৯ জন আহত এবং ৩৭৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। দেশটিতে গত শুক্রবারের পর থেকে একের পর এক কম্পন অনুভূত হয়েছে। বুধবার রাতেও ৪.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। গত শুক্রবারের জোরালো ভূমিকম্পের পর থেকে এখনো মাঝে মধ্যে কম্পন (আফটারশক) হয়ে চলছে মিয়ানমারে। বুধবার রাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে মিয়ানমারে।

ভারতের ভূবিজ্ঞান সর্বেক্ষণ সংস্থা (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি) অনুসারে, বুধবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৮। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫ কিলোমিটার গভীরে কম্পনটি অনুভূত হয়েছে। বুধবার বিকেলে ৪.৩ মাত্রার আরো একটি কম্পন অনুভূত হয়েছে মিয়ানমারে।

এদিকে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত শুক্রবার থেকে ৩০০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি চলছে। তার মধ্যে এই ভূমিকম্পে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। দেশটির জান্তা-বিরোধী পিপল্‌স ডিফেন্স ফোর্স আগেই ভূমিকম্প পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল। বুধবার মায়ানমারের জুন্টা সেনাও সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে।

গত শুক্রবার সকালে প্রথমে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিয়ানমারের মাটি। তারপর থেকে পর পর ১৫ বার ভূকম্প-পরবর্তী কম্পন হয়েছে সে দেশে। ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে পড়েছে বহু ভবন, রাস্তা, সেতু। আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ। খোঁজ মিলছে না ৪ শতাধিক মানুষের।

এরই মধ্যে বুধবার মিয়ানমারের এক হোটেলের ধ্বংসাবশেষ থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এক যুবককে। গত শুক্রবারের ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডেও। দেশটির রাজধানী ব্যাংককে একটি নির্মাণাধীন ৩০তলা ভবন ভেঙে পড়ে। সেখানে বহু মানুষের মৃত্যুর কথা জানা গেছে। উদ্ধারকারীদের ধারণা, এখনো অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। তাদের খুঁজে বের করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণা জান্তার

মিয়ানমারে ভূমিকম্পের সময় মসজিদে অবস্থানকারী সাত শতাধিক মুসল্লি নিহত হয়েছেন। দুর্যোগে দুর্গম এলাকায় জরুরি ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

এ ভূমিকম্পে দেশটির অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে; লাখ লাখ মানুষ উদ্বাস্তু। ভূমিকম্পবিধ্বস্ত অনেক এলাকায় আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো। তারা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে সরকারি সহযোগিতা চাওয়ার পর বুধবার মিয়ানমারের জান্তা ২০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদমাধ্যম এমআরটিভি।

ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সহায়তা করতে এ যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়েছে জানিয়ে বিদ্রোহীরা হামলা চালালে পাল্টা ‘যথোপযুক্ত ব্যবস্থা’নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে জান্তা। ভূমিকম্পের পর দেশটিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে আন্তর্জাতিক মহলের ব্যাপক চাপ ছিল। মঙ্গলবার বিদ্রোহীদের বড় একটি জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সও এক মাসের একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল।

এদিকে চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে বলা হয়, দেশটিতে চীনা দূতাবাসের ত্রাণ প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য স্থানীয় রেড ক্রসকে ১৫ লাখ ইউয়ান (২,০৬,৬৮৫ ডলার) মূল্যের নগদ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। চীনা রেড ক্রসের একটি ত্রাণবহরে মিয়ানমার জান্তার গুলির ঘটনাও ঘটেছে। বিবিসি বলছে, মঙ্গলবার রাতে ভূমিকম্পকবলিত এলাকায় ত্রাণ নিয়ে আসা একটি দলের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গুলি চালায়।

মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর দাবি, গুলির ঘটনাটি সতর্কতামূলক ছিল। গাড়িবহরটি এ অঞ্চল দিয়ে যাবে, তা তাদের জানানো হয়নি। বহরটি থামানোর জন্য গুলি চালানো হয়, তবে কেউ আহত হয়নি।

ভূমিকম্পে ছয়টি অঞ্চলের ২ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে খাদ্য, আশ্রয়, পানি, স্যানিটেশন, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ও অন্যান্য পরিষেবার জন্য জরুরি তহবিলে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবারও মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে একটি হোটেলের ধ্বংসাবশেষ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। যেসব অঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে জান্তার লড়াই চলছে, সেসব অঞ্চলে ত্রাণ সহায়তা চ্যালেঞ্জের মুখে।

রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ভূমিকম্প জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের জন্য কূটনৈতিক সুবিধা বয়ে আনতে পারে। ভূমিকম্পের ফলে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা ত্রাণ সহায়তা পাঠানোয় কূটনৈতিক কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump is ready to declare the imposition of tariffs on the Day of Release

‘মুক্তি দিবস’-এ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিতে প্রস্তুত ট্রাম্প

‘মুক্তি দিবস’-এ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিতে প্রস্তুত ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ‘মুক্তি দিবস’ এর দিন নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিতে প্রস্তুত। তবে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বকে এমন এক আক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে অনুমান করতে বাধ্য করেছেন, যা বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধের সূত্রপাত করতে পারে। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ যখন তীব্রতর হচ্ছে, তখন সকলের দৃষ্টি বুধবারের দিকে। ট্রাম্প বলেছেন, বুধবার হবে ‘মুক্তি দিবস’ যা এমন একটি মুহূর্ত যখন তিনি এমন কিছু শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশী পণ্য থেকে মুক্ত করার তার প্রতিশ্রুতি পুরন করবে।

ওয়াল স্ট্রিটের বাজার বন্ধ হওয়ার পর স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সাথে ট্রাম্প তাঁর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করবেন এবং প্রতিশ্রুতি দেবেন যে তারা আমেরিকাকে অন্যায্য বিদেশি প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা করবেন এবং মার্কিন শিল্পের একটি নতুন ‘স্বর্ণযুগ’ তৈরি করবেন।

ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টার্গেট করা দেশগুলোকে আঘাত করার জন্য পারস্পরিক শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রিপাবলিকান বিলিয়নেয়ারের শুল্কের প্রতি দীর্ঘদিনের আকর্ষণ বিদ্যমান। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মুখোমুখি তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, বন্ধু ও শত্রু উভয়ের সাথেই আমেরিকার বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় এটিই একমাত্র হাতিয়ার।
তিনি যুক্তি দিয়েছেন, শুল্ক মার্কিন শিল্পগুলোকে অন্যায্য বিদেশী প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা করে। ফেডারেল সরকারের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে এবং অন্যান্য দেশ থেকে ছাড় দাবি করার জন্য সুবিধা প্রদান করে। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা জোর দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত হারে বিস্তৃত শুল্ক বিপরীতমুখী হতে পারে।

সমালোচকরা বলছেন, আমদানিকারকরা এই খরচ বহন করলে কেবল মার্কিন ভোক্তাদের ওপরই এর প্রভাব পড়বে না, বরং তারা দেশে ও বিদেশে ক্ষতিকর মন্দার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ট্রাম্পের ঘোষণার কয়েকদিন আগে থেকেই বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকা দেশগুলো আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে।

এই পদক্ষেপ ট্রাম্পের আমেরিকা এবং তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান এবং কেবল বাণিজ্য নয়, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং প্রায় সবকিছুতেই গভীর ব্যবধানকেও তুলে ধরে।

অন্যান্য দেশগুলো যে ধরনের শুল্ক আরোপ করে তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শুল্ক আরোপিত হবে বলেই তিনি প্রাথমিকভাবে জানান।

সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে মার্কিন মিডিয়া জানিয়েছে, তিনি ২০ শতাংশ শুল্ক কমানোর কথাও বিবেচনা করছেন এবং কিছু দেশের ওপর অগ্রাধিকারমূলক আচরণ করা হতে পারে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ট্রাম্প ঘোষণার প্রাক্কালে তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সাথে একটি চুক্তি নিশ্চিত করার জন্য বৈঠক করছেন।

তিনি আরো জানান, বুধবারের ঘোষণার পরে ‘অবিলম্বে’ শুল্ক কার্যকর হবে। অন্যান্য দেশের সাথে আলোচনার জন্য কোনো প্রকার বিলম্ব করা হবে না।

ট্রাম্প জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে বেশ কয়েকটি শুল্ক ঘোষণা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত থেকেছেন।

তবে তার পরিকল্পনা বিশ্বজুড়ে মূল্য বৃদ্ধি ও ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটানোর এক ক্ষতিকারক বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডাসহ প্রধান অর্থনীতিগুলো প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মঙ্গলবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি কানাডার পক্ষ থেকে লড়াইয়ে যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মঙ্গলবার বলেছে, তারা এখনও একটি সমাধান নিয়ে আলোচনা করার আশা করছে তবে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ ও তাদের কাছে রয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার ট্রাম্পের সাথে যুক্তরাজ্য-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির জন্য ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ নিয়ে কথা বলেছেন। ভিয়েতনাম মঙ্গলবার বলেছে, তারা ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করার জন্য বিভিন্ন পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে।

মার্চ মাসে চীন সকল পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে বেইজিং প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ শুরু করে। ইইউ এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে তাদের নিজস্ব পদক্ষেপ উন্মোচন করেছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Taiwans port and fuel installation

তাইওয়ানের বন্দর এবং জ্বালানি স্থাপনাতে চীনের মহড়া

তাইওয়ানের বন্দর এবং জ্বালানি স্থাপনাতে চীনের মহড়া

চীনের সামরিক বাহিনী বুধবার জানিয়েছে, তারা তাইওয়ানকে লক্ষ্য করে অনুশীলনের অংশ হিসেবে ’লাইভ-ফায়ার’ মহড়া পরিচালনা করেছে। চীন আরো জানিয়েছে, তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে।

বেইজিং থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

সামরিক মুখপাত্র সিনিয়র কর্নেল শি ই বলেন, পূর্ব চীন সাগরে ’দূরপাল্লার লাইভ-ফায়ার মহড়া’ পরিচালিত হয়েছে। এই মহড়ায় গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং জ্বালানি সুবিধার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানা হয়েছে এবং কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জিত হয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The United States sent 4000 tonnes of food for the Rohingya

যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা পাঠিয়েছে। এসব খাদ্য ইতোমধ্যে চট্রগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

আমেরিকান কৃষকদের উৎপাদিত এই খাদ্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে দশ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গাকে জরুরি সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে সরবরাহ করা হবে।

আজ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অবদান ধারাবাহিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের কাছে পর্যাপ্ত সাহায্য পৌঁছানো নিশ্চিত করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দাতা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের বোঝা ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সংস্থান সরবরাহ করতে উৎসাহিত করেছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bus minibus collisions in Chittagong were killed in 12 injured

চট্টগ্রামে বাস-মিনিবাস সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ১২

চট্টগ্রামে বাস-মিনিবাস সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ১২
বুধবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস- মিনিবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২।

বুধবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস- মিনিবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

নিহত হলেন, লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের মো. পারভেজের ছেলে মো. জাহেদ, একই এলাকার আলমের ছেলে রিফাত (২৯), পদুয়া ইউনিয়নের চরপাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে নাজিম, সুখছড়ি মৌলভীপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে জিয়ান হোসেন অপু ও সাতকানিয়া উপজেলার ডেলিপাড়ার ছাত্তারের ছেলে ছিদ্দিক।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, ‘সকালে মহাসড়কে বাস-মিনিবাস সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Dhaka is the 5th polluted city of the world with unhealthy winds

‘অস্বাস্থ্যকর বাতাস’ নিয়ে বিশ্বে ১৪তম দূষিত শহর ঢাকা

‘অস্বাস্থ্যকর বাতাস’ নিয়ে বিশ্বে ১৪তম দূষিত শহর ঢাকা
বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৯টার ৩৫ মিনিটে ১১৮ একিউআই স্কোর নিয়ে শহরটি মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলেছে। বায়ুর মান ও দূষণের শহরের অবস্থান অনুযায়ী আজ (বুধবার) ঢাকার বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ১৪তম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। নগরীর এই বাতাসকে বাসিন্দাদের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৯টার ৩৫ মিনিটে ১১৮ একিউআই স্কোর নিয়ে শহরটি মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলেছে। বায়ুর মান ও দূষণের শহরের অবস্থান অনুযায়ী আজ (বুধবার) ঢাকার বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

ভারতের দিল্লি, নেপালের কাঠমান্ডু এবং ইরাকের বাগদাদ শহরগুলি যথাক্রমে ৩৯৮, ২৩৮ এবং ১৯২ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

যখন কণা দূষণের একিউআই মান ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে তখন বায়ুর গুণমানকে ’মাঝারি’ বলে বিবেচনা করা হয়। একিউআই সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে ’সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় সাধারণত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ’অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে ’খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। এছাড়া ৩০১ এর বেশি হলে ’বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই সূচক পাঁচটি দূষণের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলো হলো-বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন।

ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণজনিত সমস্যায় জর্জরিত। এর বায়ুর গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে এবং বর্ষাকালে উন্নত হয়।

মন্তব্য

p
উপরে