× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য শিল্প ইভেন্ট উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন মানসিক স্বাস্থ্য অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ ইউরোপ ব্লকচেইন ভাষান্তর অন্যান্য ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The fate of the trade fair is uncertain
google_news print-icon

বাণিজ্য মেলার ভাগ্য অনিশ্চিত

বাণিজ্য-মেলার-ভাগ্য-অনিশ্চিত
বাণিজ্য মেলায় বেড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
সরকারের ১১ দফা নির্দেশনায় উন্মুক্ত স্থানে সমাবেশ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ফলে বাণিজ্য মেলা চালু থাকবে কি না এ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, মঙ্গলবার এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে টিকার সনদ দেখিয়ে মেলায় প্রবেশ করতে দেয়ার নিয়মও করা হতে পারে।

করোনার কারণে গত বছর বন্ধ ছিল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। এ বছর পূর্বাচলের নতুন ভেন্যুতে মাসব্যাপী এ মেলা শুরু হয়েছে বছরের শুরুর দিনটি থেকে। মেয়াদের এক-তৃতীয়াংশ গড়াতেই এটির ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

সোমবার ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে করোনার নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বলা হয় ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে।’

বিভিন্ন ক্ষেত্রে করোনার প্রতিরোধী টিকার সনদ প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করার কথাও বলা হয়েছে এ প্রজ্ঞাপনে।

বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীর ভিড় এবার একটু কম হলেও দিনে ১০ হাজারের বেশি মানুষের সমাগম হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে তা কয়েক গুণ বাড়তে পারে, যা করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করছেন গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি মেলার ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছে বরাবরই উপেক্ষিত থাকে।

এ অবস্থায় মেলার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাণিজ্য মেলার পরিচালক মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিধিনিষেধে বাণিজ্য মেলা চলবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে নির্দেশনা আসবে, সেভাবেই আমরা তা বাস্তবায়ন করব।’

জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাণিজ্য মেলার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মাত্রই তো প্রজ্ঞাপন এলো। তা দেখেশুনে বুঝে মেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) সে সিদ্ধান্ত জানানো যাবে।

‘তবে আমরা আগে থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। এমনও হতে পারে মেলার ক্ষেত্রে করোনা টিকার বিষয়টি বিবেচনায় আনতে পারি। যারা করোনার দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাদের টিকার সনদ দেখে মেলায় প্রবেশ করতে দেয়া হতে পারে। তবে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়।’

চিরচেনা আগারগাঁও ছেড়ে এবারই প্রথম পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে শুরু হয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলছে। নতুন ভেন্যু হওয়ায় এখনও সেভাবে জমে ওঠেনি মেলা। এ অবস্থায় মেলা বন্ধ হলে আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন স্টল মালিকরা।

আরও পড়ুন:
মেলায় মানুষ দেখছে বেশি, কিনছে কম
বাণিজ্য মেলার ফিরতি পথে ভোগান্তি
ছুটির দিনে জমেছে বাণিজ্য মেলা
করোনার আসছে তৃতীয় ঢেউ, তবুও মাস্কে অনীহা
সন্ধ্যায় দর্শনার্থী বেড়েছে বাণিজ্য মেলায়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
5 percent of the United States in Bangladeshi products

বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ শতাংশ শুল্কারোপ

বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ শতাংশ শুল্কারোপ

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘পারস্পরিক শুল্ক’ নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানিতে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত তালিকা অনুসারে, মার্কিন সরকার দাবি করেছে, বাংলাদেশ কার্যকরভাবে আমেরিকান পণ্যে ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। জবাবে, মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে ৩৭ শতাংশ ‘ছাড়প্রাপ্ত পারস্পরিক শুল্ক’ আরোপ করা হবে।
আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ট্রাম্প এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। মার্কিন পণ্য রফতানির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশ যে ব্যাপক বাধা তৈরি করে রেখেছে, সেই ‘অন্যায় বাণিজ্য চর্চা’ প্রতিরোধেই ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতিতে সব আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্কের একটি ভিত্তিরেখা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব দেশ—মার্কিন প্রশাসনের ভাষায়—মুদ্রার অপব্যবহার, সুরক্ষাবাদ কিংবা অন্যান্য অ-শুল্ক বাধা তৈরি করে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্যহারে উচ্চমাত্রায় শুল্ক আরোপ করা হবে।
আকস্মিক এই শুল্কারোপে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানির ওপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত। এককভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
এতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা কিছুটা কমে আসবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিল্পখাত সংশ্লিষ্টরা। একইসাথে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর ওপরও এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
ভারতীয় পণ্যে ২৬ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, দেশটিতে মার্কিন পণ্য রফতানিতে ৫২ শতাংশ বাধা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর পাকিস্তানের ওপর ২৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের দাবি, পাকিস্তানি বাজারে মার্কিন পণ্যের জন্য ৫৮ শতাংশ বাণিজ্য বাধা রয়েছে।
গেল কয়েক দশক ধরে একপাক্ষিক এই বাণিজ্য সম্পর্ক চলে আসছে, যা অনেক আগেই সংশোধন করা উচিত ছিল বলে দাবি করেছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এতে দেশগুলো থেকে পাল্টা পদক্ষেপ আসতে পারে এবং মার্কিন ব্যবসা ও পরিবারগুলোতে খরচ বেড়ে যেতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BIMSTEC members call to finalize the trade agreement

বিমসটেক সদস্যদের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার আহ্বান ঢাকার

বিমসটেক সদস্যদের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার আহ্বান ঢাকার

পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন বিমসটেকের সকল সদস্য রাষ্ট্রকে বাণিজ্য সংক্রান্ত ছয়টি মৌলিক চুক্তির সময়মত চূড়ান্তকরণ নিশ্চিত করতে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।

ব্যাংককে ২৫তম বিমসটেক সিনিয়র কর্মকর্তাদের সভায় পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, ‘আমাদের অঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য এফটিএ বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা বলা হয়েছে।

জসিম উদ্দিন এসওএম-এ ৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ছয়টি অমীমাংসিত চুক্তি হলো, বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের কাঠামো চুক্তির পণ্য, উৎপত্তির নিয়ম, শুল্ক বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া, বাণিজ্য সুবিধা, বিনিয়োগ এবং পরিষেবায় বাণিজ্য।

সভায় জসিম উদ্দিন ‘ব্লু অর্থনীতিসহ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি বিবৃতি প্রদান করেন, যার জন্য বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিচ্ছে।

আগামী ৪ এপ্রিল ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আগে বিমসটেক এসওএম-এর ২৫তম অধিবেশন শুরু হয়।

বৈঠকে বিমসটেক সেন্টার ফর ওয়েদার অ্যান্ড ক্লাইমেট এবং বিমসটেক সেন্টার অব এক্সিলেন্স অন ট্রপিক্যাল মেডিসিনসহ বিমসটেক সেন্টার সম্পর্কিত ফলাফল বিবেচনা করা হয়।

আগামীকাল অনুষ্ঠেয় বিশতম বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের খসড়া অস্থায়ী এজেন্ডা এবং খসড়া প্রতিবেদন নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনাও চূড়ান্ত করেছেন।

বৈঠকে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের খসড়া অস্থায়ী এজেন্ডা এবং খসড়া ঘোষণাও চূড়ান্ত করা হয়।

বাংলাদেশ ঢাকায় বিমসটেকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ২৬তম সম্মেলনের আয়োজন করবে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teletalks data package is reduced by 5 percent

১০ শতাংশ কমছে টেলিটকের ডেটা প্যাকেজের দাম

১০ শতাংশ কমছে টেলিটকের ডেটা প্যাকেজের দাম ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ডেটা প্যাকেজের দাম ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিন কার্যকর করা হবে।

গতকাল শুক্রবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

তিনি জানান, সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কোম্পানি লিমিটেড তাদের ব্যান্ডউইথ ভাড়া ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই ভাড়া কমানোর সুবিধা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য টেলিটক তার বর্তমান অধিকাংশ ডেটা প্যাকেজের দাম ১০ শতাংশ কমিয়েছে। যা ঈদের দিন থেকে কার্যকর করা হবে এবং তা পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত চলমান থাকবে।

ডেটা ট্যারিফ কমানোর ফলে মোবাইল ডেটা গ্রাহক সংখ্যা আগের তুলনায় বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

টেলিটকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে টেলিযোগাযোগ সেবা পৌঁছানোর জন্য হাওর ও দ্বীপাঞ্চলে টেলিটক নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে। দেশে ৪জি প্রযুক্তির বিস্তার এবং ৫জি প্রযুক্তি চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এছাড়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ই-গভর্ন্যান্স ও ই-কমার্স খাতে টেলিটকের অবদান ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সম্প্রতি সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি ব্যান্ডউইথ খরচ হ্রাস করার ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Signature of Memorandum of Understanding and agreement between Dhaka Bejing

ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের কালজয়ী সাহিত্য ও শিল্পকর্মের অনুবাদ ও সৃজন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও খবর আদান-প্রদান, গণমাধ্যম, ক্রীড়া এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিময় সহযোগিতা। এর পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ বিষয়ে সহযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়ে একটি চুক্তি এবং আটটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার চার দিনের চীন সফরের তৃতীয় দিন শুক্রবার দুই দেশের মধ্যে এ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও স্মারকগুলো স্বাক্ষর হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের কালজয়ী সাহিত্য ও শিল্পকর্মের অনুবাদ ও সৃজন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও খবর আদান-প্রদান, গণমাধ্যম, ক্রীড়া এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিময় সহযোগিতা। এর পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ বিষয়ে সহযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে।

এগুলো হলো বিনিয়োগ আলোচনা শুরু করা, চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু, মোংলা বন্দরের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ, একটি রোবট ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ এবং একটি কার্ডিয়াক সার্জারি গাড়ি অনুদান।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে তুলসি গ্যাবার্ডের বক্তব্যের প্রতিবাদ সরকারের
ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ হস্তান্তর
ভারতের অভ্যন্তরে ‌খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
ইরান থেকে জ্বালানি তেল আমদানি বাড়াবে চীন
ভারতে বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ, যাত্রীরা অক্ষত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Positive response to reduce loan interest rates assured Chinas water resources management
ইউএনবিকে প্রেস সচিব

ঋণের সুদহার কমাতে ইতিবাচক সাড়া চীনের, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার আশ্বাস

ঋণের সুদহার কমাতে ইতিবাচক সাড়া চীনের, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। কোলাজ: নিউজবাংলা
ড. ইউনূসের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্টের বৈঠককে অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ইউএনবিকে বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশকে দেওয়া চীনা ঋণের সুদের হার কমানো ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দেশটির সহযোগিতা চাওয়ার বিষয়টি ছিল।’

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো চীন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং।

স্থানীয় সময় শুক্রবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট এ কথা জানান।

ড. ইউনূসের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্টের বৈঠককে অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ইউএনবিকে বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশকে দেওয়া চীনা ঋণের সুদের হার কমানো ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দেশটির সহযোগিতা চাওয়ার বিষয়টি ছিল।’

তিনি বলেন, ‘বৈঠকে আলোচনা অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ, গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে।’

প্রেস সচিব বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও অধ্যাপক ইউনূসের প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার এটি ছিল প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। এখন পর্যন্ত এটি একটি বড় সফলতা।’

প্রেসিডেন্ট শির বক্তব্যের বরাতে শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও কারখানা স্থাপনে চীন তার দেশের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করবে।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট শি ফুজিয়ান প্রদেশের গভর্নর থাকাকালীন দুইবার বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে তিনি পড়াশোনা করেছেন। সে কথাও উল্লেখ করেছেন চীনের রাষ্ট্রপ্রধান।

প্রেসিডেন্ট শির উদ্বৃতি দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, তিনি বাংলাদেশি আম ও কাঁঠাল খেয়েছেন। এগুলো সুস্বাদু। আশা করা হচ্ছে বাংলাদেশ আগামী মৌসুমে এ দুটি ফল চীনে প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি করবে।

চীনা প্রেসিডেন্ট ও প্রধান উপদেষ্টা চীনের পিপলস গ্রেট হলে করা বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

তারা দুই দেশের সম্পর্ককে জোরদার করা ও ঢাকা-বেইজিংয়ের পারস্পরিক ও কৌশলগত স্বার্থকে এক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন:
২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ
সমৃদ্ধ এশিয়া গড়তে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা প্রধান উপদেষ্টার
স্টারলিংকের ইন্টারনেট বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ

মন্তব্য

২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ ইউএস ডলার। ফাইল ছবি
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশের রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

ঈদের আগে মার্চ মাসে রেকর্ড রেমিট্যান্সের পর এবার রিজার্ভ নিয়ে সুখবর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মাস শেষ হওয়ার আগেই দেশের রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশের রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ২০ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।

নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

মার্চের ৯ তারিখ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল বাবদ ১৭৫ কোটি ডলার পরিশোধ করায় গ্রস রিজার্ভ নেমে আসে ২৫ বিলিয়নের নিচে এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২০ বিলিয়নের থেকেও কমে যায়।

আকুর বিল পরিশোধের পর বিপিএম-৬-এর মান অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ হয়েছিল ১৯ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা এ কয়েক দিনে আবার ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠে এসেছে।

এর আগে মার্চের প্রথম ২৬ দিনে আসে ২ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ এপ্রিল
৫ মাসে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
রিজার্ভ ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
মুজিবহীন নতুন নকশার নোট আসছে জুনের মধ্যে
ব্যাংকগুলোকে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The state owned bank will be open on Friday

শুক্রবার খোলা থাকবে রাষ্ট্রায়াত্ত ৪ ব্যাংক

শুক্রবার খোলা থাকবে রাষ্ট্রায়াত্ত ৪ ব্যাংক ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল ফিতরের ৯ দিনের দীর্ঘ ছুটি শুরু হলেও শুক্রবার (২৮ মার্চ) ৪ রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং কর্মচারীদের ঈদুল ফিতরের আগেই বেতন-ভাতা তোলার সুবিধার্থে এসব ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা শুক্রবার খোলা থাকবে।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত রাষ্ট্রায়াত্ত এসব ব্যাংক খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।। এ সময়ের মধ্যে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত জুমাতুল বিদার বিরতি থাকবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিন দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়ম অনুযায়ী ভাতা পাবেন বলে নিশ্চিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মন্তব্য

p
উপরে