× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য শিল্প ইভেন্ট উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন মানসিক স্বাস্থ্য অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ ইউরোপ ব্লকচেইন ভাষান্তর অন্যান্য ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

চেনা চেহারায় ফিরছে ঢাকা

চেনা-চেহারায়-ফিরছে-ঢাকা
ঈদ উদযাপন শেষে শহরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল ফিতরের ৯ দিনের দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামীকাল রোববার খুলছে সরকারি অফিসগুলো। বেসরকারি অফিসগুলো খুলে গেছে আজ শনিবারই। তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন চাকরিজীবীরা। ঈদে বাড়ি যাওয়া এসব ঘরমুখো মানুষরা ফিরে আসায় চির চেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে ঢাকা। তবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, ঈদের ছুটিতে যত মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন শনিবার সকাল পর্যন্ত ফিরেছেন তার ৪০ শতাংশ। আর আজ সারা দিনেই ঢাকার সবগুলো দূরপাল্লার বাসস্ট্যান্ড, সদরঘাটের লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে গ্রাম থেকে মানুষকে সপরিবারে ফিরতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের মধ্যেই ঢাকায় প্রবেশ করেছেন গ্রামে যাওয়া ৮০ শতাংশ মানুষ।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কে এখনো নেই যানজট, নেই গাড়ির বাড়তি চাপ। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে আজ যানবাহনের সংখ্যা ছিল বেশি। বাড়ি থেকে ফেরা মানুষরা ব্যাগ-বস্তা নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছেন। কেউ সিএনজিতে, কেউ রিকশায়, কেউ আবার বাসে করে আবাসস্থলে যাচ্ছেন। ফলে সড়কে আজ মানুষের আনাগোনা ছিল বেশি।

ঈদের আনন্দ শেষে ভোরের বাসে যশোর থেকে ঢাকায় ফিরেছেন ফার্মগেটের বাসিন্দা তানজিমুল ইসলাম। ফার্মগেটে কথা হলে তানজিম বলেন, কাল থেকে অফিস শুরু। তাই আজ চলে আসতে হয়েছে। আজ অনেক মানুষ ঢাকায় ফিরছে। বাসের টিকিট পেতে কষ্ট হয়ে গেছে। ঢাকার টার্মিনালগুলোতেও ভিড় ছিল।

সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি এখনো শেষ না হলেও বেশিরভাগ বেসরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি শুক্রবারই শেষ হয়ে গেছে। ফলে আজ থেকেই কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে বেসরকারি অফিসগুলো। তবে ছুটির আমেজ এখনো না কাটায় সেখানেও নেই কর্মব্যস্ততা।

কারওয়ান বাজারের একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন রাসেল। তিনি বলেন, কলিগদের বেশিরভাগই ফিরে এসেছেন। দুই-একজন বাড়তি ছুটি নিয়েছেন। তারা এখনো ফেরেননি। কাজ শুরু হলেও আজ তেমন চাপ নেই।

এদিকে বেশ কয়দিন বন্ধ থাকার পর মার্কেট-বিপণিবিতানসহ বেশিরভাগ দোকানপাট খুলতে শুরু করেছে। তবে ক্রেতার সংখ্যা কম হওয়ায় অলস সময় পার করতে হচ্ছে বিক্রেতাদের। একে অন্যের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেই সময় কাটছে তাদের।

ফার্মগেট এলাকার ইন্দিরা রোড সোসাইটিতে একটি ডিপার্টমেন্টল স্টোর চালান হাবিব। ঈদের সময় সকাল-বিকেল মিলিয়ে কয়েক ঘণ্টা দোকান খোলা রাখলেও শুক্রবার থেকে পুরোপুরি দোকান শুরু করেছেন তিনি। হাবিব বলেন, ঈদের সময় কয়েক ঘণ্টা করে দোকান খুলেছি। গতকাল থেকে পুরোপুরি খোলা রাখছি। তবে কাস্টমার নেই। আগের মতো কাস্টমার হতে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে।

ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

এদিকে, ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সংখ্যার ভিত্তিতে রাজধানী ছেড়ে যাওয়া মানুষের একটি উপাত্ত প্রকাশ করেছে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গতকাল সংস্থাটির দেওয়া উপাত্ত অনুসারে এবারের ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটাতে গত সাত দিনে ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন। তবে সাত দিন পর ৪৪ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় প্রবেশ করেছেন।

মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর দেওয়া সিম মবিলিটির হিসাবে এই তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মোবাইল অপারেটরগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনে মোট ১ কোটি ৭২ লাখ ৯ হাজার ১৫৫ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন। এ সময় ঢাকায় প্রবেশ করেছেন ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ২৭৯ সিম ব্যবহারকারী।

সবচেয়ে বেশি সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন ৩০ মার্চ। এই দিন ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪৬১ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ত্যাগ করেন। আবার ওই দিন ঢাকায় এসেছেন মাত্র ৪ লাখ ৯১ হাজার ৮৮ সিম ব্যবহারকারী।

অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় ফিরেছেন ৩ এপ্রিল। এই দিন ঢাকায় প্রবেশ করেছে ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ সিম ব্যবহারকারী। কিন্তু একই দিনে ঢাকা ছেড়েছেন মাত্র ৮ লাখের মতো সিম ব্যবহারকারী।

নির্দিষ্ট অপারেটরভিত্তিক তথ্য বলছে, প্রতিদিনই গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের গ্রাহকদের বড় একটি অংশ রাজধানী ত্যাগ করেছেন। ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শুধু গ্রামীণফোনের ৬৩ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন।

তবে এক ব্যক্তি একাধিক সিম ব্যবহার করায় এই সংখ্যা প্রকৃত ব্যক্তির সংখ্যা নয়। অনেকেই মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করার কারণে সব অপারেটরের নম্বর নিবন্ধন করে থাকেন।

এ ছাড়া শিশুসহ এমন অনেকেই ঢাকা ছেড়েছে, যারা কোনো মোবাইল সিম ব্যবহার করে না। তাদের নামে সিম নিবন্ধন করা নেই।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অন্যান্য
The possibility of rain in seven sections including Dhaka

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়েছে।

সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এতে আরো বলা হয়েছে, দিনাজপুর, সৈয়দপুর, ফেনী, মৌলভীবাজার, বরিশাল, এবং পটুয়াখালী জেলাসহ ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিত অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

গতকাল শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরের তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উল্লেখ্য, আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১২ মিলিমিটার।

আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৭ শতাংশ। ঢাকায় বাতাসের গতি পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে।

মন্তব্য

অন্যান্য
From the end of the holidays the air of Dhaka is the fifth of unhealthy pollution

ছুটি শেষে হতেই ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, দূষণে পঞ্চম

ছুটি শেষে হতেই ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, দূষণে পঞ্চম ছবি: সংগৃহীত

ঈদের ছুটি শেষ হতে না হতেই ঢাকার দূষিত বাতাসের মান আবারও পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। যেখানে গতকাল শনিবার ছিল নবম।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা নগরীর এই বাতাসকে বাসিন্দাদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আজ রোববার সকাল ৮টার ৫০ মনিটে ১৫১ একিউআই স্কোর নিয়ে শহরটি মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলেছে।
ভারতের দিল্লি, নেপালের কাঠমান্ডু ও পাকিস্তানের লাহোর শহর যথাক্রমে ২৮৮, ২২৯ ও ২০৪ একিউআই স্কোর নিয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
যখন কণা দূষণের একিউআই মান ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে তখন বায়ুর গুণমানকে ’মাঝারি’ বলে বিবেচনা করা হয়। একিউআই সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে ’সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় সাধারণত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ’অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে ’খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। এছাড়া ৩০১ এর বেশি হলে ’বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক পাঁচটি দূষণের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলো হলো-বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন।ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণজনিত সমস্যায় জর্জরিত। এর বায়ুর গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে এবং বর্ষাকালে উন্নত হয়।

সূত্র : ইউএনবি

মন্তব্য

অন্যান্য
The first time of season

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী শনিবার সন্ধ্যার পর ঢাকায় ঝড়ো বাতাসসহ বৃষ্টি হয়। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে শনিবার মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। হালকা থেকে মাঝারি ধরনের দমকা হাওয়া ও হালকা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। শনিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এই তথ্য জানিয়েছে।

সন্ধ্যার পর রাজধানীতে বৃষ্টি হয়। তার আগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। চৈত্র মাসে ধূলিঝড়ে রীতিমতো নাকাল হয়ে পড়ে রাজধানীবাসী।

আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। সঙ্গে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। কালবৈশাখীর মৌসুম হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানেই এমন ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। তিনি জানান, ঢাকার বাইরে নরসিংদী, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সিলেট, গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ এবং খুলনায় এই দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড় হয়েছে।

আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশ দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগসহ দিনাজপুর, সৈয়দপুর, ফেনী, মৌলভীবাজার, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসমূহের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার (০৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হযেছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মন্তব্য

অন্যান্য
One crore 1 lakh SIM user leaves Dhaka on Eid

ঈদে ঢাকা ছাড়েন এক কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী

ঈদে ঢাকা ছাড়েন এক কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী

ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ৯ দিনের সরকারি ছুটিতে ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত এক কোটি সাত লাখ ২৯ হাজার ১৫৫ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন। গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং টেলিটক এই চার কোম্পানির সিম ব্যবহারকারীদের ওপর ভিত্তি করে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)।

এ ব্যাপারে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টের মাধ্যমে জানান, ঈদের ছুটির সাত দিনে এক কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ত্যাগ করেছেন। বিপরীতে ৪৪ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় প্রবেশ করেছেন।

ঈদে কতজন ঢাকা ছেড়ে অন্য গন্তব্য যান, এর সঠিক হিসাব না থাকায় প্রাথমিকভাবে প্রতিবছর সিম ব্যবহারকারীদের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি ধারণামূলক হিসাব করা হয়। এতে যারা মোবাইল ব্যবহার করেন না, বিশেষ করে শিশুরা তাদেরকে হিসাব থেকে বাদ দিতে হয় এবং যারা একাধিক সিম ব্যবহার করেন, তাদের সংখ্যাও হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

ঈদের ছুটিতে সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন ঈদের আগের দিন ৩০ মার্চ। এদিন ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪৬১ ব্যবহারকারী ঢাকা ছাড়ার তথ্য জানিয়েছে বিটিআরসি।

২৮-৩১ মার্চ এই চারদিনে ৭৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮৫ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন।

ঈদের পরেও ব্যাপক মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন, যা উঠে এসেছে সিম ব্যবহারকারীদের তথ্য যাচাই করে। ঈদের পরদিন অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ২৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৭০ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়েছেন।

আগামীকাল রোববার থেকে সরকারি অফিস-আদালত এবং ব্যাংক চালু হওয়ায় ঢাকা ফিরতে শুরু করেছে বাড়ি ফেরত মানুষ। ইতোমধ্যে ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ২৭৯ সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় প্রবেশ করেছেন। গতকাল শুক্রবার সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় ফিরেছেন।

ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের হিসাবে, ঢাকার জনসংখ্যা এখন সোয়া দুই কোটির মতো। এর মধ্যে এক কোটির বেশি মানুষ ঈদে অন্য কোনো জেলায় যান বলে ধারণা করা হয়।

৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে আগেই ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। এর আগে-পরে (২৯ ও ৩০ মার্চ এবং ১ ও ২ এপ্রিল) চার দিন ছুটি দেওয়া হয়েছিল নির্বাহী আদেশে। ঈদের ছুটি শুরুর আগে ২৮ মার্চ পড়েছে শুক্রবার। ছুটি শেষে অফিস খোলার কথা ছিল ৩ এপ্রিল। সেদিনও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

তার পরের দুই দিন আবার সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসাবে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা নয় দিনের ছুটিতে সরকারি চাকরিজীবীরা। ছুটি শেষে অফিস খুলবে আগামীকাল রবিবার (৬ এপ্রিল)।

সূত্র: ইউএনবি

মন্তব্য

অন্যান্য
Teknaf Yaba weapons and recovered Tk 1 lakh

টেকনাফে ইয়াবা অস্ত্র, গোলা ও ৩০ লাখ টাকা উদ্ধার

টেকনাফে ইয়াবা অস্ত্র, গোলা ও ৩০ লাখ টাকা উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে কক্সবাজারের টেকনাফে ডাকাতে আস্তানায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ নদগ অর্থ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। তবে এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টেকনাফে ইয়াবা অস্ত্র, গোলা ও ৩০ লাখ টাকা উদ্ধার

আইএসপিআর জানায়, গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলিখালি নামক স্থানের চিহ্নিত হারুন ডাকাতের বাড়িতে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হারুন ডাকাতের বাড়ি তল্লাশি করে ১টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ৬ রাউন্ড তাজা গোলা, ৫টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, নগদ ৩০ লাখের বেশি টাকা, স্বর্ণালংকার, একাধিক চেকবই ও ২০টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামত টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণ টেকনাফ কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অন্যদিকে একই দিন মধ্য রাতে টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপ নাফনদীর মোহনায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে.কমান্ডার মো. সিয়াম-উল-হক। তিনি জানান, ‌মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান পাচারের খবরে নাফনদী র্যাবসহ যৌথ অভিযানে এই ইয়াবা চালান উদ্ধার করা হয়েছে। জলপথে মাদক-সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে এ অভিযান চলমান থাকবে।'

মন্তব্য

অন্যান্য
Fire on the Mahua Express train in Sripur Railway is closed

শ্রীপুরে মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন : রেল চলাচল বন্ধ

শ্রীপুরে মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন : রেল চলাচল বন্ধ

গাজীপুরের শ্রীপুর সাত খামাইর রেল স্টেশনের কাছে জামালপুরগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কারে আগুন ধরে গেছে।

দুর্ঘটনার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলরুটে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনার শিকার ট্রেনটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় এখনো হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটিতে আগুন লাগলে সাত খামাইর স্টেশনের কাছে থামানো হয়। খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই বিষয়ে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আবুল খায়ের বাসস’কে জানান, আজ সকালে মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করেছে। ট্রেনটি ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল রুট দিয়ে শ্রীপুর রেলস্টেশন অতিক্রমের পরপরই সাত খামাইর স্টেশনের কাছে গেলে পাওয়ার কারে আগুন লাগে। এই সময় সাত খামাইর স্টেশনটি বন্ধ থাকায় সেখানে তাৎক্ষণিক যোগাযোগের কোনো ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি ঢাকায় জানানো হয়েছে।

এদিকে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

মন্তব্য

p
উপরে